• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Daily Infection

দেশ

ফের সামান্য বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ, একদিনে আক্রান্ত ৭১ হাজারের বেশি

ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকেই কমতে শুরু করেছে দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। তবে বুধবারই দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ফের সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ৭১ হাজারের গণ্ডি পার করেছে। মঙ্গলবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজার ৫৯৭। অন্যদিকে, দেশে একদিনেই ১২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমণে। এই নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৫ হাজার ২৭৯-এ।লাখের গণ্ডির নীচে থাকলেও, দেশে সামান্য বাড়ল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭১ হাজার ৩৬৫ জন, যা গতকালের তুলনায় ৫.৬ শতাংশ বেশি। এই নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ কোটি ২৪ লক্ষ ১০ হাজার ৯৭৬-এ। দেশের সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নীচে নেমে দাঁড়িয়েছে।এদিকে, দেশের করোনা সংক্রমণ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কমায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে দেশের সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৮ লক্ষ ৯২ হাজার ৮২৮। দেশের মোট আক্রান্তের ২.১১ শতাংশ সক্রিয় রোগী। একইসঙ্গে কমেছে সংক্রমণের হারও। বর্তমানে দেশে সংক্রমণের হার ৪.৫৪ শতাংশ। সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার ৭.৫৭ শতাংশ।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের ৫টি রাজ্য থেকেই দৈনিক সংক্রমণের ৬৭.২১ শতাংশের খোঁজ মিলছে। এরমধ্যে শীর্ষে রয়েছে কেরল, সেখানে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৭১। দেশের মোট সংক্রমণের ৪১.৩ শতাংশই কেরল থেকে খোঁজ মিলছে। এরপরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র, এই রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬১০৭ জন। এরপরে রয়েছে তামিলনাড়ু, সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫১৯। কর্নাটক ও রাজস্থানেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ৪৪৫২ এবং ৩৪১১।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
দেশ

Covid: দেশে এক লক্ষের গণ্ডি পেরলো দৈনিক করোনা সংক্রমণ

কেবল রাজ্যে নয়, দেশেও হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। একলাফে দেশে বাড়ল করোনা গ্রাফ। দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৭ হাজার ১০০ জন। একলাফে দেশে দৈনিক সংক্রমণ বেড়েছে ২৮.০২ শতাংশ। পিছিয়ে নেই রাজ্যও। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ৪২১, বুধবার যে সংখ্যাটা ছিল ১৪ হাজার ২২। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। বুধবারের তুলনায় পজিটিভিটি রেট বেড়েছে কিছুটা। বুধবার যে হার ছিল ২৩.১৭ শতাংশ, বৃহস্পতিবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ২৪.৭১ শতাংশ। পাশাপাশি বাড়ছে ওমিক্রন আতঙ্কও। একদিনে দেশে ওমিক্রন আক্রান্ত ৩ হাজার ৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩০২ জনের।শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের করোনা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ১,১৭,১০০ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা বৃহস্পতিবারের তুলনায় ২৮.৮ শতাংশ বেশি। এর আগে গত বছরের জুন মাসে দৈনিক এক লক্ষ আক্রান্ত হওয়ার গন্ডি পার করেছিল ভারত। শুক্রবারের নতুন করোনা আক্রান্তের হিসেব বলছে, দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩,৫২,২৬,৩৮৬।সব থেকে বেশি আক্রান্ত পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে গত একদিনে মোট ৩৬,২৬৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫,৪২১ জন। পশ্চিমবঙ্গের পরে আক্রান্ত হওয়ার নিরিখে রয়েছে যথাক্রমে দিল্লি (১৫,০৯৭), তামিলনাড়ু (৬,৯৮৩) এবং কর্ণাটক (৫,০৩১)।একই সঙ্গে দেশে হু-হু করে বাড়ছে করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে বর্তমানে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৩,০০৭ জন। তবে তাঁদের মধ্যে ১,১৯৯ জন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ওমিক্রন আক্রান্তের দিক থেকেও শীর্ষে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে মোট ৮৭৬ জন করোনার নতুন রূপ ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। এর পরেই রয়েছে দিল্লি। দিল্লিতে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬৫।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
দেশ

Corona-Omicron: উৎসবের আনন্দে বেপরোয়া মনোভাবে করোনার দৈনিক সংক্রমণ ৩৩ হাজার পার, দোসর ওমিক্রন

করোনা ও ওমিক্রন-কে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই বড়দিন থেকে বর্ষবরণ অবধি মেতে ছিল রাজ্য তথা দেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশই। এবার তার ফলও মিলছে হাতেনাতে, একদিকে যেমন ব্যাপক হারে বাড়ছে দেশের করোনা সংক্রমণ, তেমনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৭৫০ জন, যা আগের দিনের তুলনায় ২২.৫ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও ধীরে ধীরে দুই হাজারের দিকে এগোচ্ছে।বর্ষবরণের আনন্দে বিধিনিষেধের গেরো শিথিল হতেই, হাইজাম্প দিয়েছে করোনা। এক ধাক্কাতেই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৩৩ হাজার ৭৫০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, এই নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৪৯ লক্ষ ২২ হাজার ৮৮২-তে। গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যাও। একদিনেই ১২৩ জনের মৃত্যু হওয়ায় দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৮১ হাজার ৮৯৩-তে।করোনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৭৫ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মেলায়, দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৭০০-এ বেড়ে দাঁড়িয়েছে। এরমধ্যে ৬৩৯ জন এখনও অবধি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। রাজ্যের নিরিখে সর্বাধিক আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে মহারাষ্ট্র থেকেই, সেখানে বর্তমানে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫১০। এরপরই রয়েছে দিল্লি, সেখানে ৩৫১ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। কেরল (১৫৬), গুজরাত(১৩৬), তামিলনাড়ু (১২১), রাজস্থান (১২০)-এও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
দেশ

Corona Update: দেশে ফের ৮০ হাজারের গণ্ডি পেরোল করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ফের বৃদ্ধি পেল করোনা দাপট। একদিনে দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ হাজার ৯৬৫ জন। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৬০ জনের। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ১০ হাজার ৮৪৫। এর মধ্যে শুধু কেরলেই একদিনে ১৯ হাজার ৬২২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ওই রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৩২ জনের। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ২০ জনের। মঙ্গলবার অনেকটাই কমেছিল করোনার প্রকোপ। করোনা আক্রান্ত হয়েছিল ৩০ হাজার ৯৪১ জন। মৃত্যু হয়েছিল ৩৫০ জনের। করোনা খানিকটা নিয়ন্ত্রণে এলেও সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক আকার নিয়েছে দক্ষিণের রাজ্য কেরলে। করোনা বিপদ বাড়াচ্ছে মহারাষ্ট্রেও। আরও পড়ুনঃ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে ঋণের জন্য ব্যাঙ্ক বাড়ির দলিল বন্ধক রাখতে বলায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ছাত্রমহারাষ্ট্র এবং কেরল কেবল এই দুটি রাজ্যেই দৈনিক মৃতের সংখ্যা শতাধিক। কেরলে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ১৯ হাজারের বেশি মহারাষ্ট্রে ৫৪ হাজার ৭৬৩টি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষা বেশি হওয়ায় আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েছে। প্রায় ৩৫.৬ শতাংশ সংক্রমণ বৃদ্ধি হয়েছে বুধবার।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
দেশ

Corona Update: ফের বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরল

ফের দেশে সংক্রমণের হার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এরাজ্যেও সংক্রমণের সংখ্যাটা উপরের দিকেই। এরইমধ্যে দেশের দৈনিক সংক্রমণ বুধবারের তুলনায় একটু বাড়লেও বৃহস্পতিবার তা ৪০ হাজারের নীচেই রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ হাজার ৪০১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ২৩ লক্ষ ২২ হাজার ২৫৮।পাঁচ দিন পর দেশের দৈনিক মৃত্যু ফের ৫০০ ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৫৩০ জনের। গোটা অতিমারি পর্বে করোনা প্রাণ কেড়েছে ৪ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪৯ জনের। এর মধ্যে মহারাষ্ট্র (১৫৮) এবং কেরলে (১৭৯) দৈনিক মৃত্যু হচ্ছে সবথেকে বেশি।আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন কবে চালু হবে, জানালেন মমতাএখনও দেশের মধ্যে সংক্রমণ বেশি হচ্ছে কেরলে। দৈনিক সংক্রমণের অর্ধেকেরও বেশি হচ্ছে দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্যে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজার ৪২৭ জন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মহারাষ্ট্রের দৈনিক সংক্রমণ কেরলের চারভাগের এক ভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ১৩২ জন। এর পর রয়েছে তামিলনাড়ু (১,৭৯৭), অন্ধ্রপ্রদেশ (১,৪৩৩), কর্নাটক (১,৩৬৫), ওডিশা (৯৯৩), পশ্চিমবঙ্গে (৬৪৬) এবং অসম (৬৩৯)। সংক্রমণ কম হওয়ায় দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমছে। দেশে এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ১২৯ জন। ভারতে করোনা পরীক্ষার মোট সংখ্যা ৫০ কোটি ছাড়িয়েছে। অতিমারির শুরু থেকে এখন অবধি দেশে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫০ কোটি ৩ লক্ষ ৮৪০।এদিকে, সংক্রমণে রাশ না পড়লে এবং গ্রামাঞ্চলে ৫০ শতাংশ টিকাকরণ না হলে লোকাল ট্রেনে চালানো হবে না বলে বুধবারই নবান্নে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান মুখ্যমন্ত্রী। লোকা ট্রেন চালানোর দাবিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভও দেখাচ্ছেন যাত্রীরা। যে ট্রেন চালানো হচ্ছে, তাতে ভিড় বাড়ছে, ফলে সংক্রমণের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কাও দেখা দিচ্ছে।

আগস্ট ১৯, ২০২১
দেশ

Corona Update: ফের কপালে ভাঁজ ফেলছে করোনা

ফের বাড়ছে সংক্রমণের মাত্রা। পর পর ছদিন ৪০ হাজারের বেশি থাকার পর মঙ্গলবার দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ নেমেছিল ৩০ হাজারের ঘরে। বুধবার তা ফের ৪০ হাজার ছাড়িয়ে গেল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ হাজার ৬২৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ১৭ লক্ষ ৬৯ হাজার ১৩২।আরও পড়ুনঃ ফের উদ্ধার ২ বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহসংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের দৈনিক মৃত্যুও বেড়েছে বুধবার। দুদিন পর তা ফের ৫০০ ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৫৬২ জনের। গোটা অতিমারি পর্বে করোনা ভাইরাস দেশে প্রাণ কাড়ল ৪ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৫৭ জনের। সংক্রমণ বৃদ্ধির জেরে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ফের বাড়ল। গত ২৪ ঘণ্টায় তা বেড়েছে প্রায় ৬ হাজার। এখন দেশে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪ লক্ষ ১০ হাজার ৩৫৩ জন। সংক্রমণ বৃদ্ধির জেরে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ফের বাড়ল। গত ২৪ ঘণ্টায় তা বেড়েছে প্রায় ৬ হাজার। এখন দেশে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪ লক্ষ ১০ হাজার ৩৫৩ জন।একমাত্র অন্ধ্র প্রদেশ ও মহারাষ্ট্রেই আর-ফ্যাক্টর ক্রমশ নিম্নমুখী। পশ্চিমবঙ্গ, নাগাল্যান্ড, হরিয়ানা, গোয়া, দিল্লি ও ঝাড়খণ্ডের আর-ফ্যাক্টর বর্তমানে ১-এ দাঁড়িয়ে রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লভ আগরওয়াল বিষয়টি বুঝিয়ে বলেন, যখনই আর ভ্যালু ১-র বেশি হবে, তার অর্থ হবে যে সংক্রমণ বাড়ছে এবং তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। উল্লেখ্য, আর ফ্যাক্টর ২ -র অর্থ হল একজন সংক্রমিত ব্যক্তির থেকে দুইজন করোনা আক্রান্ত হতে পারেন। আবার সেই দুইজনও নতুন করে আরও দুইজনকে সংক্রমিত করতে পারে। এভাবেই গোটা দেশজুড়ে সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়। এদিকে, করোনার আঁতুরঘর চিনেও ফের নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ। সবমিলিয়ে করোনা আতঙ্ক যেন থামতেই চাইছে না। অন্যদিকে, ভারতে তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কবার্তা জারি হয়ে গিয়েছে। একদল বিশেষজ্ঞর মতে, দ্বিতীয় ঢেউই নাকি এখনও শেষ হয়নি। তারমধ্যেই তৃতীয় ঢেউয়ের আগমনবার্তায় স্বাভাবিকভাবেই সাধারণের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। তারওপর টিকাকরণের গতিও ধীরেই এগোচ্ছে। পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন না মেলায় এখনও দেশের ৫০ শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিনের একটি ডোজ পর্যন্ত পাননি। সবমিলিয় উদ্বেগ বাড়ছেই।

আগস্ট ০৪, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona Update: সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যুহার, কি বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট? জানুন

ডেল্টা স্ট্রেনের সঙ্গে কাপ্পার মতো নতুন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার মধ্যেই সুখবর হল, দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমন এখন অনেকটাই নিম্নমুখী। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৯০০-র কাছাকাছি। রবিবার দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ হাজার ৫০৬ জন। শনিবারের তুলনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমলেও এখনও তা ৯০০-এর কাছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৮৯৫ জন মারা গিয়েছেন ভারতে। রাজ্যে করোনার দৈনিক সংক্রমণের হার শেষ পাঁচ দিনে মোটামুটি একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। গত ৫ জুলাই রাজ্যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৮৫। তার পর থেকে ধীরে ধীরে শনিবার দৈনিক সংক্রমণ পৌঁছেছে ৯৯৭-এ। সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৬ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হইচই তে মুক্তি পাচ্ছে হীরালালকেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১১ জুলাই, রবিবার পর্যন্ত ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৮ লক্ষ ৩৭ হাজার ২২২। এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ৮ হাজার ৪০ জনের। দেশে মোট কোভিড সংক্রমণের হার কমে হয়েছে ৭.১৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের হার অবশ্য সামান্য বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিড সংক্রমণের হার ২.২৫ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ ফের ফেসবুকে পোস্ট করে কাকে বার্তা দিলেন সৌমিত্র খাঁ?আক্রান্তের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থতার সংখ্যা সামান্য বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪১ হাজার ৫২৬ জন। এখনও পর্যন্ত মোট ২ কোটি ৯৯ লক্ষ ৭৫ হাজার ৬৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। অর্থাৎ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমেছে। এই মুহূর্তে দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৪ লক্ষ ৫৪ হাজার ১১৮। এদিকে, সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ১১ হাজার ২০৫। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৪ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯৯৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। এ ক্ষেত্রেও শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে কমেছে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যাও। আপাতত ১৫ হাজার ৩০৪ জন সক্রিয় করোনা রোগী রয়েছেন রাজ্যে।

জুলাই ১১, ২০২১
দেশ

Corona: দেশে নিম্নগামী দৈনিক সংক্রমণ, কমেছে মৃত্যুর হারও

কয়েকদিন ধরেই সংক্রমণে বেশ কিছুটা রাশ পড়েছিল। দৈনিক মৃত্যুর হারও কমে আসছিল। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে ৫ শতাংশ কমল দৈনিক সংক্রমণ। মৃত্যুর হারও টানা ২ দিন অনেকটাই কম। ৪৫ হাজারে নীচে নামল করোনা ভাইরাসের দৈনিক সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ হাজার ১১১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ৫ লক্ষ ২ হাজার ৩৬২ জন। সংক্রমণের পাশাপাশি কোভিডের জেরে দেশের দৈনিক মৃত্যুও কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৭৩৮ জনের। অতিমারি পর্বে দেশে মোট মৃত্যু হল ৪ লক্ষ ১ হাজার ৫০ জনের।আরও পড়ুনঃ গলসিতে বিয়ে বাড়ির খাবার খেয়ে অসুস্থ ১০ শিশু সহ ৪৪ জনগত ১২ দিন ধরেই দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার তিন শতাংশের নীচে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ২.৩৫ শতাংশ। সক্রিয় রোগীও ধারাবাহিকভাবে কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা কমেছে ১৪ হাজার ১০৪। এর জেরে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা নেমেছে ৫ লক্ষের নীচে। এখন দেশে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪ লক্ষ ৯৫ হাজার ৫৩৩ জন।

জুলাই ০৩, ২০২১
দেশ

রেকর্ড গড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা, কমল দৈনিক সংক্রমণ

দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় সামান্য স্বস্তি পেল ভারত। চার লক্ষের গন্ডি পেরনোর পরদিনই সামান্য কমল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। তবে, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যু। রবিবার মৃতের সংখ্যায় রেকর্ড গড়েছে দেশ। টানা দ্বিতীয়বার মৃতের সংখ্যা পেরল তিন হাজার পাঁচশোর গণ্ডি। তবে, সবচেয়ে স্বস্তির খবর দেশে প্রথমবার দৈনিক সুস্থতার সংখ্যা ৩ লক্ষ পেরল।রবিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৯২ হাজার ৪৮৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় অনেকটাই কম। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯৫ লক্ষ ৫৭ হাজার ৪৫৭ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৫৪২ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৬৮৯ জনের। এই সংখ্যাটাও সর্বকালের রেকর্ড। এই নিয়ে দ্বিতীয় দিন মৃত্যু সাড়ে ৩ হাজার পেরল।স্বস্তির খবর হল, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৭ হাজার ৮৬৫ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক কম হলেও এযাবৎকালের রেকর্ড। আপাতত দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়াল ৩৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৪৪ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ৮৪ হাজার ১৬ হাজার ৩১ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে টিকা পেয়েছেন মোট ১৫ কোটি ৬৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৩১ জন।

মে ০২, ২০২১
দেশ

দৈনিক সংক্রমণে আমেরিকাকেও পিছনে ফেলল ভারত!

লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে দেশের দৈনিক করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পৌঁছে গেল ২ লক্ষ ৯৫ হাজারে। এক দিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা শুধুমাত্র ভারতে নয় বিশ্বেও সর্বোচ্চ। এ বছর ৮ জানুয়ারি আমেরিকাতে এক দিনে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২ লক্ষ ৮৯ হাজার ১৯৫ জন। কোনও একটি দেশে একদিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা এত দিন সর্বোচ্চ ছিল। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে বুধবার নতুন রের্কড গড়ল ভারত।দৈনিক মৃত্যুর নিরিখেও দেশে বুধবার তৈরি হল নতুন রের্কড। দেশে এই প্রথম একদিনে মৃত্যু ২ হাজার ছাড়িয়ে গেল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ২৩ জনের। করোনাভাইরাসের ছোবলে দেশে এখনও অবধি প্রাণ হারিয়েছেন ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৫৫৩ জন। বুধবার দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ১৬ হাজার ১৩০ জন। মোট আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। প্রথম আমেরিকা।বিপুল পরিমাণ দৈনিক আক্রান্তে জেরে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সক্রিয় রোগী বেড়েছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৫৬১। এখন দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫৩৮ জন। যদিও এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা নেমেছিল দেড় লক্ষের নীচে। তার পর বাড়তে বাড়তে গিয়েছে এই পরিস্থিতিতে। এর জেরে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার পরিসর ক্রমেই কমে আসছে। অনেক ক্ষেত্রেই একই শয্যায় একাধিক রোগীকে শুয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। অক্সিজেনেরও অভাব সামাল দিতে আসরে নেমেছে প্রশাসনও। অনেক জায়গাতেই অস্থায়ী কোভিড কেয়ার কেন্দ্র তৈরি করে পরিস্থিতি মোবাবিলার চেষ্টা চালাচ্ছে বিভিন্ন রাজ্যের সরকার।সংক্রমণ শৃঙ্খল রুখতে লকডাউনও জারি হয়েছে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে। রাজধানী দিল্লিতে সোমবার থেকে চলছে লকডাউন। মহারাষ্ট্রেও করোনা কার্ফু চলছে। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে সপ্তাহান্তে চলছে লকডাউন। রাত্রিকালীন কার্ফুও জারি হয়েছে দেশের বিভিন্ন শহরে। এর পাশাপাশি দেশে টিকাকরণ চলছে জোরকদমে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে টিকা নিয়েছেন ২৯ লক্ষ ৯০ হাজার ১৯৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট কোভিড টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে ১৩ কোটি ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৩১০।

এপ্রিল ২১, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে নতুন সংক্রমণ ১০ হাজার ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বেড়ে ৪৬

রাজ্যে দৈনিক করোনা সংক্রমণ একধাক্কায় ১০ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে গেল। যা এখনও পর্যন্ত ১ দিনে আক্রান্তের নিরিখে সবচেয়ে বেশি। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যার মতোই মোট সংক্রমণের হারও সর্বোচ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৮৫ শতাংশে।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৮১৯ জন। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নতুন করে ২ হাজার ২৩৪ জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে পিছিয়ে নেই উত্তর ২৪ পরগনাও। ওই জেলায় নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৯০২ জন। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ১৭২ জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।রাজ্য জুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে সংক্রমণ বৃদ্ধির পাশাপাশি কোভিড রোগীদের মৃত্যুর সংখ্যাও উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ জন আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় ১৫ এবং কলকাতায় ১৩ জন মারা গিয়েছেন। মালদহে ৪, পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, এবং হুগলিতে ২ জন করে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, দার্জিলিং, কালিম্পিং, জলপাইগুড়ি, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পুরুলিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ১ জন করে মারা গিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ১০ হাজার ৬৫২ জন কোভিড রোগী মারা গিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।আক্রান্তের সংখ্যায় নজির গড়লেও রাজ্য সরকারের তরফে গত ২৪ ঘণ্টায় টিকাকরণ অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে রাজ্যের ২ লক্ষ ১২ হাজার ৫৭০ জন বাসিন্দাকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর। তবে তা সত্ত্বেও দৈনিক সংক্রমণের হার বা পজিটিভিটি রেট পৌঁছেছে ১৯.৬২ শতাংশে। প্রসঙ্গত, প্রতি দিন যে সংখ্যক কোভিড টেস্ট করা হয়, তার মধ্যে যত শতাংশের রিপোর্ট পজিটিভ আসে, তাকেই পজিটিভিটি রেট বা সংক্রমণের হার বলা হয়।দৈনিক টিকাকরণের মতোই কোভিড টেস্টের সংখ্যাও রবিবারের থেকে অনেকটাই বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫০ হাজার ৪৪টি কোভিট টেস্ট হয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৯৯ লক্ষ ৩২২টি টেস্ট হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।

এপ্রিল ২০, ২০২১
দেশ

সব রেকর্ড ভাঙল দৈনিক করোনা সংক্রমণ, মৃত্যু হাজারের বেশি

বিপজ্জনক, ভয়াবহ অবস্থা দেশের। বর্তমান করোনা পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে তা আমেরিকাকেও কার্যত চ্যালেঞ্জ করছে। গত বছর সবচেয়ে ভয়াবহ সময়েও এই পরিস্থিতির ধারেকাছে ছিল না ভারত। কিন্তু স্রেফ মানুষের উদাসীনতা আর ভ্রান্ত নীতির জন্য করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কার্যত ভেঙে দিচ্ছে ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৮৪ হাজারের বেশি। মৃত্যু এক হাজারের বেশি। এই প্রথমবার দেশে একদিনে অ্যাকটিভ কেস বাড়ল লক্ষাধিক।বুধবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩৭২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ২৩ হাজার বেশি। এই সংখ্যাটা দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩৮ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮২৫ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৭২ হাজার ৮৫ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৭ জনের। যা সাম্প্রতিক অতীতে সর্বোচ্চ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৮২ হাজার ৩৩৯ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের অর্ধেকের থেকেও বহু কম। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ১৩ লক্ষ ৬৫ হাজার ৭০৪ জন। সম্ভবত প্রথমবার দেশে একদিনে অ্যাকটিক কেস বাড়ল এক লক্ষের বেশি। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ২৩ লক্ষ ৩৬ হাজার ৩৬ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ১১ কোটি ১১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৫৭৮ জন।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
রাজ্য

দৈনিক সংক্রমণ ৪ হাজার, ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত ১২

রাজ্যে দৈনিক করোনা সংক্রমণ পেরিয়ে গেল ৪ হাজারে গণ্ডি। শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৪০৪৩ জন নতুন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লক্ষ ১০ হাজার ৪৯৮এ। শতাংশের বিচারে দেখলে দৈনিক সংক্রমণের হারও বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। শেষ ২৪ ঘণ্টার বিচারে সংক্রমণের হার দাঁড়িয়েছে ১০.৯৭ শতাংশ।আক্রান্তের নিরিখে এখনও সর্বোচ্চ স্থানেই রয়েছে কলকাতা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় শহরে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৯৭ জন। এরপর রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮৭ জন। রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলায় সমান তালে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এর মধ্যে হাওড়া (২৮৯), হুগলি (১৯১), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (২৯১), পশ্চিম বর্ধমান (২৬৬) ও বীরভূম (২৭১) উল্লেখযোগ্য। এখন পর্যন্ত রাজ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭৪২ জন। শুক্রবারে তুলনায় শেষ ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যুও। স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। এদের মধ্যে ৪ জন কলকাতার, ও ৫ জন উত্তর ২৪ পরগনার। মুর্শিদাবাদ, হাওড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১ জন করে মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে সমান তালে চলছে টিকাকরণের কাজও। এখনও পর্যন্ত ৭৬ লক্ষ ৭৪ হাজার ৬৩৪ জন করোনার টিকা নিয়েছেন। এর মধ্যে শেষ ২৪ ঘণ্টায় টিকা পেয়েছেন ৩ লক্ষ ৬১ হাজার ৯৪০ জন।

এপ্রিল ১১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal